এই ওয়াজের মূল আকর্ষণ হলো নামাযের মধ্যে কান্নার গুরুত্ব। খতিব সাহেব উল্লেখ করেছেন, সাহাবায়ে কেরাম ও মহান আল্লাহওয়ালাগণ নামাযে দাঁড়ালে আল্লাহর ভয়ে এবং মহব্বতে এমনভাবে কাঁদতেন যে তাঁদের বুক থরথর করে কাঁপত। আজকের যান্ত্রিক জীবনে আমাদের নামায থেকে সেই প্রাণ বা খুশু-খুযু হারিয়ে গেছে। চোখের পানির মাধ্যমে নামাযকে জীবন্ত করার যে আহ্বান তিনি জানিয়েছেন, তা প্রতিটি মুমিনের অন্তরকে স্পর্শ করে।
আপনি কি এই প্রবন্ধের কোনো বিশেষ অংশে যোগ করতে চান নাকি এটি ভাষাগত পরিবর্তন করতে হবে? AI responses may include mistakes. Learn more
বক্তা অত্যন্ত কঠোরভাবে এবং দরদমাখা কণ্ঠে বে-নামাযির ভয়াবহ পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। তবে হতাশার পরিবর্তে তিনি আশার বাণী শুনিয়েছেন। তিনি শিখিয়েছেন, আজই যদি কেউ অতীতের ভুলের জন্য অনুতপ্ত হয়ে জায়নামাজে চোখের পানি ফেলে ক্ষমা চায়, তবে পরম দয়ালু আল্লাহ তাকে ফিরিয়ে দেবেন না।
আলোচনায় গুরুত্বারোপ করা হয়েছে যে, নামায মুমিনের মেরাজ। একজন মুমিন যখন 'আল্লাহু আকবার' বলে হাত বাঁধে, তখন সে দুনিয়ার সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সরাসরি রবের দরবারে হাজিরা দেয়। হাসান জামিল সাহেব অত্যন্ত দরদ দিয়ে বুঝিয়েছেন যে, নামাযে যখন বান্দা সিজদায় যায়, তখন সে মূলত তার সৃষ্টিকর্তার সবচেয়ে কাছে চলে যায়। এই সান্নিধ্য অনুভবের মুহূর্তটিই একজন মুমিনের জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি।
CrimeReads needs your help. The mystery world is vast, and we need your support to cover it the way it deserves. With your contribution, you'll gain access to exclusive newsletters, editors' recommendations, early book giveaways, and our new "Well, Here's to Crime" tote bag.